চরভদ্রাসনে অনুমোদনহীন নৌযানের আঘাতে পদ্মা রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে চৌচির! - NEXT24NEWS

NEXT24NEWS

পরবর্তী ২৪ ঘন্টার খবর

Boxed(True/False)

test banner

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Sunday, January 14, 2018

চরভদ্রাসনে অনুমোদনহীন নৌযানের আঘাতে পদ্মা রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে চৌচির!

স্টাফ রিপোর্টার

চরভদ্রাসন উপজেলা সদরে এমপি ডাঙ্গী গ্রামের মেইন সড়কঘেঁষে পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষণ ৩শ’ মিটার বাঁধ প্রকল্প শুক্রবার সকালে প্রায় পুরো অংশই ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। বাঁধ প্রকল্পটি ঘেঁষে পদ্মা নদীর পাড়ে গভীর পানি ছিল। এতে দু’মাস ধরে বিভিন্ন কার্গো ট্রাক উঠানামা করে বন্দর গড়ে তোলেছিল। শুক্রবার ভোরে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা বাঁধ প্রকল্প এলাকাসহ প্রায় ৮০ ফিট চওড়া করে বড় বড় ফাটল নিয়ে একের পর এক জমি পদ্মায় বিলীন হয়ে যায়। এতে ফরিদপুর পাউবোর পদ্মা পাড়ে গড়া প্রায় ৪ কোটি টাকার ভাঙন রোধ প্রকল্প বিলীন হয়ে গেছে। শুক্রবার বিকালে ফরিদপুর পাউবোর বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. জহির উদ্দিন বলেন, ‘ওই এলাকার বাঁধটি ভেঙে যাওয়ারই কথা। কেননা প্রকল্পটি ছিল অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প। প্রকল্পটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প ছিল না। কাজেই এ ব্যাপারে পত্রিকায় কিছু লেখালিখির দরকার নাই।’

জানা যায়, ভাঙনমুখী পদ্মা নদীর হুমকির মুখ থেকে রক্ষার জন্য উপজেলা সদরে এমপি ডাঙ্গী গ্রামের মেইন সড়কঘেঁষে দুই বছরে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মার তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ করে ফরিদপুর পাউবো। এ প্রকল্পে তিন দফায় মোট ২৬ হাজার ১৩০টি জিও ব্যাগ পদ্মা পাড়ে ডাম্পিং করা হয়। চলতি শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় উপজেলা পদ্মা নদীর ওই ভাঙন রোধ প্রকল্প ঘেঁষে গভীর পানিতে মালামাল বহনকারী কার্গো ভিড়ে বন্দর গড়েছিল। সেখান থেকে ভারি ট্রাক ও লরি বোঝাই করে মালামাল জেলা শহরসহ বিভিন্ন জায়গায় পরিবহন করা হচ্ছিল। শুক্রবার বাঁধ এলাকাসহ মাটি পদ্মা নদীতে বিলীন হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পদ্মা নদীর ভাঙন বাঁধের পাশের বসতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক জানান, দু’মাস ধরে পদ্মা রক্ষাবাঁধ প্রকল্পটির ওপর খুব জুলুম হচ্ছিল। ট্রাক ও লরির অবাধ বিচরণে বাঁধটি বিলীন হয়ে গেছে। ওই গ্রামের আরেক বসতি আবুল খায়ের বলেন, দিনরাত কার্গো ট্রাকের অবাধ বিরচণ দেখে আমরা প্রশাসনকে বারবার অবগত করেছি, কিন্ত প্রশাসন আমাদের কথায় কর্ণপাত করেনি। উপজেলা প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমরা কয়েক দফায় পদ্মা নদীর ঘাট মালিককে ট্রাক চলাচল বন্ধের জন্য নোটিশ করেছি। এমনকি ঘাট ইজারাদার বাবুল শিকদারকে ডেকে এনে নিষেধ করার পরও ট্রাক ও কার্গো চলাচল বন্ধ হয় নাই।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages